গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর পালাবদল ঘটে রাজনৈতিক অঙ্গনে, যার প্রভাব পড়ে ক্রীড়াঙ্গনেও। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও (বিসিবি) একাধিকবার শীর্ষ পদে রদবদল হয়েছে। বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে যোগ দেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম। সম্প্রতি তাকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।
কিছু দিন আগে গণমাধ্যমে ফাহিমের কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়ে সমালোচনা করতে দেখা যায় সুজনকে। এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন ফাহিম। সততার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।
শনিবার (৯ আগস্ট) বোর্ড মিটিং শেষে সুজনের সমালোচনা প্রসঙ্গে বিসিবির অপারেশনস বিভাগের চেয়ারম্যান ফাহিম বলেন, ‘এই ব্যাপারটি নিয়ে একেবারেই আলোচনা করতে চাই না। একটি দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি। দেশের ক্রিকেট যেন ভালোভাবে চলে। আমি চেষ্টা করছি স্বচ্ছতা এবং সততার সঙ্গে এই কাজটা করার। কে কী মনে করে, কে কী বললো এটা নিয়ে আমি ভাবছি না। যতদিন আমার কাজ করার সুযোগ থাকবে আমি কাজ করবো এবং আমার মতো করেই কাজ করবো।’
এর আগে এক গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ওয়ানডের নেতৃত্ব থেকে শান্তকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুজন। তিনি বলেছিলেন, ‘শান্তকে যেভাবে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা পেশাগতভাবে করা হয়নি। আমি বলবো, বিসিবি খুবই বাজে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বিসিবি ১০০–তে ০ পাবে। সফরে যাওয়ার একদিন আগে কেন দুই অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলতে হবে? আমি মনে করি, অপারেশনস চেয়ারম্যান হিসেবে এখানেই উনি ব্যর্থ। উনার উচিত ছিল বোর্ডের সঙ্গে কথা বলা যে, সফরের আগে অধিনায়ক পরিবর্তন না হোক।’
সুজন আরও বলেছিলেন, ‘যাকে উনি সম্মান করলেন না, সে উনাকে কীভাবে সম্মান করবে। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মানে অনেক বড় একটি পদ। এখানে কেউ যদি অসম্মানিত হন, সেখান থেকে যেকোনো কিছু হতে পারে।’
