মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজারে ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নে বসবাসকারী বেদেজাতকারী একটি পরিবারের সাথে সু-সম্পর্ক তৈরি করে বিবাহের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে দীর্ঘদিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রী হিসাবে বসবাস করার অভিযোগ উঠেছে, একই ইউনিয়নের সাবিয়া গ্রামের আব্দুল মন্নাফ এর পুত্র মো: আব্দুল আলিক (৩৬)-এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে, মৌলভীবাজার চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার ( যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ), জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, মৌলভীবাজার-বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী ।
মৌলভীবাজার জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় একাধিক সুত্রে প্রকাশ- কাবিননামার মাধ্যমে বিবাহের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মো: আলিক ও রুহেলা বেগম (৩০) দীর্ঘদিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রী হিসাবে সিলেট ওসমানীনগর, গরুর বাজার সংলগ্ন এলাকাসহ একাধিক স্থানে বসবাস করেন। সর্বশেষ- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের গুজারাই খসরু মিয়ারবাসা সহ বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু, এখন বিয়ের কাবিননামা দিয়ে বিবাহ করতে টাল-বাহানা করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুহেলা বেগম জানান- ৫লক্ষ টাকা দেনমোহর দিয়ে ঘরে নিবে বলে আশ্বস্থ করে, সিলেট, গোয়ালাবাজার (ওসমানীনগর থানা),সহ বিভিন্ন জায়গায় সে আমার সাথে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয় এবং আমি গর্ভবর্তী হয়ে পড়ি। একাধিকবার গর্ভ নষ্ট করে।
এর অনেক কাগজাত রয়েছে। ৩বার গর্ভ নষ্ট করার কারণে অতিরিক্ত রক্তকরণ হইয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা বিশিস্ট সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমরা বেদেজাত। মানুষকে বিশ্বাস করি। ভালোবাসার অন্ধ বিশ্বাসে আমার ও আমার মায়ের কাছ থেকে নগদে প্রায় ৪,৭৫,০০০/- (চার লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টাকা সে হাতিয়ে নেয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে- এ প্রতিনিধিসহ একাধিক সাংবাদিকদের সাথে এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হুবুহু বক্তব্য প্রদান করেন- সিলেট ওসমানীনগর, গরুর বাজার সংলগ্ন এলাকা ও মৌলভীবাজার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নে বসবাসকারী একাধিক পরিবার। ঘটনার সত্যতা জানতে মো: আব্দুল আলিক-এর মুঠোফোনে- আজ ৫.২০ মিনিটি একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
