মৌলভীবাজারে জোট প্রার্থী আহমদ বিলালের গণসংযোগে অংশগ্রহন করেনি দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরসহ শরিক দল

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার-৩ আসনে ১০ দলীয় জোট মনোনীত দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী আহমদ বিলালের গণসংযোগ কর্মসূচি অংশগ্রহন করেনি দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরসহ শরিক দল। ২৪ জানুয়ারী (শনিবার) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজার পৌরসভার সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু হয়। পরে চৌমুহনা, এম সাইফুর রহমান সড়ক (সাবেক সেন্ট্রাল রোড), কুসুমবাগ, সিলেট সড়ক, শ্রীমঙ্গল সড়ক ও শাহ মোস্তফা সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহ মোস্তফা সড়কে অবস্থিত খেলাফত মজলিসের জেলা কার্যালয়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। এ সময় ১০ দলীয় জোটভুক্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ লুৎফর রহমান কামালী আনুষ্ঠানিকভাবে আহমদ বিলালের প্রতি সমর্থন জানান এবং গণসংযোগে তাঁর সঙ্গে নেতৃত্ব দেন। জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরসহ শরিক দল অংশগ্রহন করতে দেখা যায় নি। গণসংযোগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় রাস্তার দুই পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, গাড়িচালক ও পথচারীদের মধ্যে হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে আহমদ বিলাল সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দেয়ালঘড়ি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় আহমদ বিলাল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ১০ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরসহ সব শরিক দলের নেতাকর্মীরা শতভাগ ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর পক্ষে মাঠে থাকবেন। তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীর মৌলভীবাজারের সাবেক আমির আব্দুল মান্নানসহ ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে গণসংযোগ ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন। নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেয়ালঘড়ি প্রতীকের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আহমদ বিলাল বলেন, নির্বাচিত হলে মৌলভীবাজারে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন, শমসেরনগর বিমানবন্দর চালু, মনু নদীর সংস্কার এবং হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে মৌলভীবাজার হয়ে শেরপুর সড়ক চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার থেকে কুলাউড়া–জুড়ি–বড়লেখা সড়ক এবং মৌলভীবাজার–ফেঞ্চুগঞ্জ–সিলেট সড়ক চার লেনে রূপান্তর, গ্রামীণ রাস্তাঘাট পাকাকরণ এবং সার্বিক যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের চাহিদাকেই উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে।