কথিত ২০০ কোটি টাকার কয়েনসহ জব্দ নানা সরঞ্জাম মৌলভীবাজারে প্রাচীন কয়েন ও সীমানা পিলার বিক্রির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ : সাবেক ইউপি সদস্য ইলিয়াছুরসহ গ্রেফতার- ৪

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার : কথিত সীমানা পিলার, প্রাচীন কয়েন ও মূল্যবান ধাতব বস্তু ক্রয়-বিক্রয়ের নামে বিপুল মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার সাবেক ইউপি সদস্য এস.এম. ইলিয়াছুর রহমানসহ সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে কথিত ২০০ কোটি টাকা ম‚ল্যের একটি এন্টিক পাওয়ার কয়েন, একটি নোহা গাড়ি, একটি পকেট রাউটার, আটটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন নামে ৫০০টি ভিজিটিং কার্ড, ৯৪ পাতা ভুয়া বিজনেস এগ্রিমেন্ট, তিনটি চেকবই, একটি কয়েন বø্যাংক অ্যালবাম, একটি ডায়েরি, ১০টি সিমকার্ড, ছয়টি ভুয়া স্ট্যাম্প এবং ‘এন্টিক গ্যালারি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’-এর নামে একটি ভুয়া সার্টিফিকেট জব্দ করা হয়। ইলিয়াছুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তাঁর পূর্বপরিচয় ও বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ভুক্তভোগীদের কথিত মূল্যবান বস্তু কেনাবেচার ব্যবসায় সম্পৃক্ত করার অভিযোগও উঠেছে। গ্রেফতারকৃত এস.এম. ইলিয়াছুর রহমান (৩৬) রাজনগর থানার বাংলা টিলা (পÐিত নগর) গ্রামের বাসিন্দা। অন্যরা হলেন- শ্রীমঙ্গল থানার উত্তর ভাড়াউড়া গ্রামের মো. ইকরাম মিয়া (২৮), ঢাকার মোহাম্মদপুরের শ্যামলী এলাকার তাহের-উল-ইসলাম আখতারুজ্জামান (৬১) এবং মোহাম্মদিয়া হাউজিং এলাকার মো. ইব্রাহিম বেপারী (৩৭)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তু, প্রাচীন কয়েন ও সীমানা পিলার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে বিপুল মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিল চক্রটি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে তাঁরা নিজেদের বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতেন। এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ ও স্বাক্ষরিত চেক হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। ইলিয়াছুর রহমানের কথায় আশ্বস্ত হয়ে আব্দুর রহিম বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ে আগ্রহী হন। পরে তাঁর আমেরিকা প্রবাসী মামাতো ভাই মির্জা খালেদুর রহমানকেও এ ব্যবসায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে যুক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ইলিয়াছুরসহ চক্রের অন্য সদস্যরা কথিত ক্রেতা, বিশেষজ্ঞ ও বাগানসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে পুরো বিষয়টিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলেন। বিগত ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট কথিত বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে ম‚ল্যবান ধাতব বস্তুটি পরীক্ষা করিয়ে আসল বলে দাবি করা হয়। পরবর্তী সময়ে কথিত ক্রয়-বিক্রয়ের অজুহাতে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ ও স্বাক্ষরিত চেক নেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর চাতলাপুর চা বাগানে কথিত মূল্যবান বস্তুটি হস্তান্তরের নামে আব্দুর রহিম ও তাঁর মামাতো ভাইয়ের কাছ থেকে নগদ ২ কোটি টাকা নেওয়া হয়। আরও দেড় কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁদের কাছে বক্সটি হস্তান্তর করা হয়। পরে বক্স খুলে তাঁরা কথিত ম‚ল্যবান বস্তুটির পরিবর্তে একটি সাপ দেখতে পান। এ বিষয়ে চক্রের সদস্যদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা নানা অজুহাত দেখান। একপর্যায়ে কথিত বস্তুটি জিনের মাধ্যমে সাপে পরিণত হয়েছে এবং ২১ দিন পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলেও দাবি করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে আরও একটি ম‚ল্যবান বস্তু পাওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০২৪ সালে কুলাউড়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মৌলভীবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা এবং ডিবির অফিসার ইনচার্জ সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্যের দিকনির্দেশনায় এসআই আহলাদ ইবনে জামিল, পিপিএমের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানে ইলিয়াছুর রহমান ও ইকরাম মিয়াকে শ্রীমঙ্গল এলাকা থেকে এবং তাহের-উল-ইসলাম আখতারুজ্জামান ও ইব্রাহিম বেপারীকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা পৃথিবীর বিভিন্ন নামিদামী প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ঐবৎরঃধমব অঁপঃরড়হ, খড়পশ ঐববফ গধৎঃরবহ, ইষধপশ জড়পশ, গরপৎড়ংড়ভঃ ইত্যাদি কোম্পানীর বাংলাদেশের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছে। ২০২৩ সালে ঢাকা ডিবি পুলিশের কাছে অত্র মামলার আসামী তাহের-উল- ইসলাম @ আখতারুজ্জামান@মিজানুর রহমান মজনসহ ৪জন এই রকম প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়।
অভিযোগের ঘটনাক্রম : রাজনগর উপজেলার বালিসহস্র গ্রামের ভিকটিম আব্দুর রহিম (৩৫) একজন ব্যবসায়ী। প্রায় ছয় মাস আগে তার প‚র্বপরিচিত এস.এম. ইলিয়াছুর রহমানের মাধ্যমে কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তু ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে তারা ভিকটিমকে জানায়, চাতলাপুর চা বাগানের কয়েকজন ব্যক্তির কাছে ব্রিটিশ আমলের একটি ম‚ল্যবান ধাতব বস্তু রয়েছে, যার ম‚ল্য হাজার কোটি টাকারও বেশি। ঢাকার একটি পার্টি উক্ত বস্তুটি ক্রয় করতে আগ্রহী এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তির মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারলে বিপুল পরিমাণ অর্থ লাভ করা সম্ভব হবে বলে তারা ভিকটিমকে প্রলোভন দেখায়। প্রথমে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হওয়ায় ভিকটিম এতে আগ্রহ দেখাননি। পরবর্তীতে প‚র্বপরিচিত ও বিশ্বস্ত ব্যক্তি এস.এম. ইলিয়াছুর রহমান একই বিষয়ে বারবার তাকে আশ্বস্ত করলে ভিকটিম বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে ভিকটিমের আমেরিকাপ্রবাসী মামাতো ভাই মির্জা খালেদুর রহমানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সম্পৃক্ত করা হয়। চক্রের সদস্যরা তাদের বোঝায় যে, ঢাকার ক্রেতা পক্ষের সঙ্গে চাতলাপুর চা বাগানের ব্যক্তিদের মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন করিয়ে দিতে পারলে তারা বিপুল অঙ্কের অর্থ লাভ করবেন।
এরপর প্রতারণার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকার ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরিচয়ে তাহের-উল-ইসলাম আখতারুজ্জামান ভিকটিমের মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নিজেকে টঝ ঐবৎরঃধমব অঁপঃরড়হ-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে পরিচয় দিয়ে কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তুটি ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। কথিত ক্রেতা পক্ষের প্রতিনিধি, চা বাগানের মালিকপক্ষ এবং মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পুরো বিষয়টিকে একটি বৈধ ও বড় ধরনের ব্যবসায়িক লেনদেন হিসেবে উপস্থাপন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তুটির সত্যতা যাচাইয়ের কথা বলে চক্রের সদস্যদের মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে ঊীঢ়বৎঃ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ আগস্ট ২০২৩ তারিখে ভিকটিম ওই ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে চাতলাপুর চা বাগানে যান। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিদের সামনে কথিত ঊীঢ়বৎঃ ধাতব বস্তুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেটি সঠিক ও ম‚ল্যবান বলে জানায়। এভাবে ধাতব বস্তুটির সত্যতা সম্পর্কে ভিকটিম ও তার মামাতো ভাইয়ের মধ্যে বিশ্বাস সৃষ্টি করা হয়। এরপর কথিত ক্রয়-বিক্রয় চ‚ড়ান্ত করার জন্য বাগানীদের অর্থ প্রদানের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়। এ পর্যায়ে ভিকটিম ও তার মামাতো ভাইয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে বাগানীদের দেওয়ার জন্য ১ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়ে ভিকটিমের মামাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা করে মোট ৪টি স্বাক্ষরিত চেক নেওয়া হয়। চেকগুলো গ্রহণের পরও প্রতিশ্রæত অর্থ প্রদান করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তুটি ঢাকার ক্রেতা পক্ষের কাছে হস্তান্তরের কথা বলে ভিকটিম, তার মামাতো ভাই, কথিত ক্রেতা পক্ষের প্রতিনিধি এবং কথিত ঊীঢ়বৎঃঃ-কে চাতলাপুর চা বাগানে নেওয়া হয়। সেখানে বাগানীদের বাড়িতে কথিত ধাতব বস্তুটি পুনরায় পরীক্ষা করা হয় এবং ঊীঢ়বৎঃ ঃ সেটি সঠিক বলে জানায়। এরপর সকলের উপস্থিতিতে কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তুটি একটি বক্সে করে ভিকটিম ও তার মামাতো ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, উক্ত বস্তুটি হস্তান্তরের সময় ভিকটিম ও তার মামাতো ভাইয়ের কাছ থেকে নগদ ২ কোটি টাকা গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে চক্রের সদস্যরা আরও দেড় কোটি টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং মোট সাড়ে ৩ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে এমন বিশ্বাস সৃষ্টি করে। এরপর বক্সটি তাদের হেফাজতে দিয়ে দুই দিন পর আরও ১০ কোটি টাকা প্রদান করে কথিত ম‚ল্যবান বস্তুটি নিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়। বিষয়টি বিশ্বাস করে তারা বক্সটি সিলেটে নিয়ে এসে নিজেদের হেফাজতে রাখেন। পরবর্তীতে বক্সটি খোলার নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তুটি যাচাই করার জন্য বক্সটি খোলা হলে তারা দেখতে পান, বক্সের ভেতরে কোনো ম‚ল্যবান ধাতব বস্তু নেই; বরং সেখানে একটি সাপ রাখা রয়েছে। এতে ভিকটিম ও তার মামাতো ভাই বিষয়টি বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন চক্রের সদস্যরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে এবং নানা ধরনের কথাবার্তার মাধ্যমে তাদের আশ্বস্ত করতে থাকে। একপর্যায়ে চক্রের একজন সদস্য দাবি করে, টাকা নিয়ে বিরোধের কারণে তাদের কথিত ‘আইটেম’ জিনের মাধ্যমে সাপে পরিণত হয়েছে এবং ২১ দিন পর সেটি পুনরায় ফিরে আসবে। পরবর্তীতেও ভিকটিম ও তার মামাতো ভাইকে বিভিন্নভাবে আশ্বস্ত করে সময়ক্ষেপণ করা হয়। এমনকি পরবর্তীতে আরও একটি ম‚ল্যবান বস্তুর সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়ে সেটির ব্যবসা করার জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়।
ভিকটিমের অভিযোগ অনুযায়ী, প‚র্বের টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় এবং কথিত নতুন বস্তুটি পাওয়ার প্রত্যাশায় তিনি আরও ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে কথিত ম‚ল্যবান বস্তু কিংবা প‚র্বে দেওয়া অর্থ কোনোটিই ফেরত না পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। এ সময় চক্রের কয়েকজনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং কয়েকজন বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।
পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করে ভিকটিমের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, কথিত ম‚ল্যবান ধাতব বস্তু, ক্রেতা প্রতিষ্ঠান, ঊীঢ়বৎঃ এবং বিপুল মুনাফার বিষয়টি ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে তার ও তার মামাতো ভাইয়ের বিশ্বাস অর্জন করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে অর্থ ও চেক গ্রহণ করে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ভিকটিমের অভিযোগ অনুযায়ী, এভাবে বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট প্রায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কুলাউড়া থানায় বিগত ২০২৪ সালে একটি মামলার রুজু করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে প্রতারণার এ ধরনের কৌশল সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার এবং অস্বাভাবিক লাভের প্রলোভনে পড়ে কোনো ধরনের লেনদেন না করার জন্য জেলা পুলিশ, মৌলভীবাজারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।