রাজশাহীতে গো-খাদ্য সংকটে গৃহস্থ ও খামারিরা বিপাকে

নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গরুর খাদ্যের যোগান দিতে কৃষক কৃষানী সহ গরুর খামারিরা চরম বিপাকে পড়েছেন। বৃষ্টি ও বর্ষন, গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার কারনে কৃষক কৃষানী ও গরু পালনকারী খামারীরা ঠিকমত গরুকে খাবারের যোগান দিতে না পারায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। উপজেলায় কোন গো-চারন ভ‚মি না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে গরু খামারিরা। একটানা বর্ষনের ফলে বড় বড় বিল খাল পানিতে ডুবে আছে। নদী ও দাঁড়ার কিনারাও পানিতে হাবুডুবু। এ অঞ্চলের নিম্ম আয়ের মানুষেরা যারা ২/১াট গরু পালন করেন তাদের গো- খাদ্যের সন্ধান করতে প্রতিদিন ফসলের মাঠ-ঘাটে ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে। ২শ’ টাকার আউড়(খড়) ৪ থেকে ৫ শ’ টাকা। ভ‚ষি, খৈল, খুদ, চাউলের গুড়ো, লালি গুড় সহ গো-খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় গরু পালনকারী কৃষক কৃষানী ও খামারিরা গো-খাদ্য ক্রয় করে ঠিকমত তাদের গরুকে যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে। নিম্ম আয়ের পরিবার গুলিতে ২/১টি গরু পালন করে। গরু পালনকারী মহিলারা বর্তমানে বাঁশের পাতা, কচুরী পানা, কলাগাছ ও লতাপাতা সংগ্রহ করে গরুকে খাবার দিচ্ছে। তাছাড়া প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত খেলার মাঠ, রাস্তার ধার ও বাড়ীর পার্শে ফাকা জায়গায় গরু বেধে রাখতে দেখা গেছে। এদিকে, বাগমারায় ব্যাপক ভাবে পুকুর খননের কারনে জমি পতিত না থাকায় গো-চারণ ভ‚মি তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। ফলে সংকট দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উচ্চ মূল্যে খড়,(আউড়) কিনে গো-খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে বাগমারার খামারি ও গৃহস্থদের। এতে করে কৃষক ও গো-খামারিরা হিমশিম খাচ্ছেন। এবিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি অফিসে না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়ন।#