সাঁথিয়া প্রতিনিধিঃ
প্রথম শ্রেণির ছাত্রের কপালে স্কেল ভাংলেন শিক্ষক। স্কুল বন্ধ শিক্ষার্থীর। বিচার প্রার্থী ছাত্রের পিতা। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়ালিদ হোসেন। প্রহারকারী সহকারী শিক্ষক দিলীপ কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সুত্রে জানা যায়, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ওই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে ওয়ালিদ নিয়মিত ক্লাস করে। গত ৩ আগষ্ট সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে গিয়ে সহপাঠীদের সাথে দিষ্টামি করে ওয়ালিদ এতেই শ্রেণি শিক্ষক শ্রী দিলীপ কুমার ঘোষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়ালিদের কপালে কাঠের স্কেল দিয়ে আঘাত করেন। স্কেল ভেঙ্গে গেলে হাত দিয়ে পিটান। ঘটনাটি ছাত্রের পিতা পরিচালক পরিষদের অভিভাবক সদস্য কামরুল ইসলাম বিদ্যালয়ে গিয়ে জানতে চাইলে কেন সদুত্তর পাননি বলে কামরুল জানান। অসুস্থ্য শিক্ষার্থী পরদিন মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে যায় না। আহত শিক্ষার্থীর পিতা সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন।
সহকারী শিক্ষক দিলীপ কুমার ঘোষ হাত দিয়ে মারার কথা স্বীকার করেন।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলমাস আলী ও রইজ উদ্দিন সত্যতা স্বীকার করে বলেন এর আগেও সে ছাত্রদের মারপীট করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিজিয়া খাতুন ওই দিন ট্রেনিংয়ে ছিলেন বলে জানান।
সাঁথিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ বেলাল জানান কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০১৩ সালে সরকারি করন হয়। অদ্য বধিও দিলীপ কুমার ঘোষ একই স্কুলে বহাল তবিয়তে আছেন। তার কোন বদলী হচ্ছে না। এতে তার সেচ্ছাচারিতা বেড়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।
