বড়াইগ্রামে রাতের আঁধারে পাঁচ শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
বড়াইগ্রামে প্রতিহিংসাঃবশত পাঁচ শতাধিক বিভিন্ন জাতের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার তারানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, প্রায় বছর দেড়েক আগে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়ক থেকে তারানগর অভিমুখে নারদ নদ পুন:খনন করা হয়। এ সময় খনন করা মাটি নদের দুই পাশে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে ফেলা হয়। পরবর্তীতে ওইসব জমির মালিকেরা নদী পাড়ের প্রায় আধা কিলোমিটার অংশ জুড়ে তাদের জমিতে ফেলা মাটির পাশ ঘেঁষে বিভিন্ন ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন। কিন্তু সোমবার রাতে কে বা কারা প্রতিহিংসা:বশত আম, আমড়া, সজিনা, কলাগাছ ও আকাশ মণিসহ বিভিন্ন জাতের পাঁচ শতাধিক বাড়ন্ত গাছ কেটে ফেলে।
তারানগর গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, আমার জমিতে ৮-১০ ফুট উঁচু করে নদী খননের মাটি ফেলা হয়েছে। আমি ওই মাটির একপাশ ঘেঁষে বিভিন্ন জাতের দেড়শ’ গাছ লাগিয়েছিলাম। কিন্তু বিনা কারণে কে বা কারা গাছগুলো কেটে ফেলেছে। একই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন বলেন, আমার প্রায় আড়াইশ’ গাছ লাগানো ছিল। আমার জমিতেই আমি গাছ লাগিয়েছি। এসব গাছের কারণে কারো কোন সমস্যাও হচ্ছে না। অথচ গাছগুলো কেটে সর্বনাশ করে দিলো।
বিলে কর্মরত কৃষি শ্রমিক আব্দুস সোবহান ও রবিউল ইসলাম বলেন, প্রচন্ড রোদে বিলে কাজ করার সময় ক্লান্ত হয়ে আমরা এসব গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিতাম। গাছগুলো থাকায় কারো সমস্যা হতো না, কিন্তু কেন এগুলো কেটে ফেললো বুঝলাম না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে কারা জড়িত সেটা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।