এনামুল হক টগর
সূর্যোদয়ের জ্বলন্ত রোদে তোমার অক্লান্ত দৃষ্টি ফসলের দেশে কর্ম মজুরি।
কোথায় যাও তুমি কতোদূর ঠিকানা তোমার জীবন দীপ্তকর।
উজান দেশে যাত্রা তোমার অভাব অনাটনের শরীরে দীর্ঘ ব্যথার দহন ।
সামনে ছোট নদী সাগর সমুদ্র সৈকতে বৈচিত্র্যময় পুষ্প নন্দন।
উথাল পাতাল ঢেউ ওঠে বুনোহাঁস আকাশে উড়ে পালক ভাসমান।
কঠিন গর্জন ঝড়ে নদী সাগর খেলা করে জোয়ার ভাটা প্রতিদিন।
বহুদূর ফসলের মাঠ একা তুমি যেওনা মাঝি হৃদয়ে ব্যথার ক্রন্দন।
আকাশে চন্দ্র নক্ষত্র ইথারে গান ভাসে দিগন্ত সবুজ বাগিচা নন্দন।
শ্রবণের ভরা নদী নৌকায় যাত্রা তোমার ফসলের দেশে কর্মের সন্ধান।
যৌবনের ক্রন্দন পেটে বড় ক্ষুধা চলাচল ভয়ংকর নদী পারাপার।
তীরে বালুচর খাঁ খাঁ রোদ শরীর পোড়া প্রেমে যুগল মন অঙ্গার ।
তুমি ছাড়া বিচ্ছেদের আনলে যৌবন পতিত হবে অতন্দ্র রাত্রির স্বপ্ন যন্ত্রণা।
পিরিতে মজে মন পিরিতে কাঁদে প্রাণ বাসনায় কাঁদে জীবন বেদনা।
এ-নিশি প্রহর কেমনে কাটাবো সুজন তুমি ছাড়া বিরহ ব্যথায়।
যদি তুমি ভেসে যাও পরানের বন্ধু থই থই অকুল দরিয়ায়!
কুল নাই কিনার নাই ভালোবাসার গভীরে দুটি মন অসহায়।
আকাশে পূর্ণিমা জ্যোৎস্না ছড়ায় হৃদয়ে প্রেম জাগায় আশা স্বপ্নবান।
আউলা বাতাস বাউরি বাতাস দিওয়ানা জীবন দুঃখে রঙিন!
প্রকৃতির সবুজে শাপলা শালুকের দৃশ্য দেখি বাহারী ঝর্ণার গুঞ্জন।
তুমি আসবে কবে কর্ম শেষে মজুরি হাতে সংসার জীবন।
আলতা লিপিষ্টিক লাল শাড়ি কাঁচের চুড়ি ঝন ঝন গহনা।
ভালোবাসার প্রবল টানে ফিরে এসো তুমি সামনে পুষ্প বসন্ত ফাল্গুন।
তুমি কই তুমি কই প্রাণের বন্ধু তুমি কতদূর মানবতার প্রেমে হৃদয়বান।
দেহের নদীতে কাঁদে বুনোহাঁস!
কাশফুল বেহুলা চন্দ্রমুখী মহুয়া সুন্দরীর ভালোবাসা বিশ্বাস।
তুমি কেন যে বুঝনা হৃদয়ের ভাষা যৌবনের ভীষণ ক্রন্দন।
শূন্য শরীর ভালোবাসার বুকে অনল বেদনা ছড়ায় কঠিন যাতনা।
এ-ভরা যৌবনে এ-ভরা ভাদরে তোমায় খুঁজি জনম জনম বিরহ যন্ত্রণা।
জীবনে প্রেম তুমি জীবনে ভালোবাসা তুমি আজন্ম সুন্দর চেতনা।
প্রেমের রাখাল তুমি বাঁশি বাজাও দুর ফসলের দেশে সুরেলা।
আকাশে বুনোহাঁস উড়ে মাটিতে শস্যের উৎপাদন চাষাবাদ চঞ্চল।।
২৪/০৯/২০২৬
