মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাছ ধরতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ এক যুবকের মরদেহ পুকুরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হওয়া এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের নলিয়ারপাড় এলাকায় হাশেম হাজির পুকুরে ভাসমান অবস্থায় কালু মিয়া (২০) নামের ওই যুবকের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত কালু মিয়া কুড়িকাহনীয়া কালীবাড়ি এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একই এলাকার কমলউদ্দিনের ছেলে বাদশা মিয়া (২১)কে আটক করেছে পুলিশ।৷
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে মাছ ধরার কথা বলে বাদশা মিয়ার সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হন কালু। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। সন্ধ্যার পর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।আজ সোমবার সকালে নলিয়ারপাড় এলাকার একটি পুকুরে কালুর মরদেহ ভাসছে—এমন খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান স্বজনরা।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরল আলম। তিনি বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট হওয়া যাবে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কালুর মৃত্যু স্বাভাবিক, দুর্ঘটনাজনিত নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলছে না পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
