মৌলভীবাজারে ডিএনসির পৃথক অভিযান: চোলাইমদ ও গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোলাইমদ তৈরির উপকরণ, চোলাইমদ ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত একজন পলাতক রয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জেলার রাজনগর ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। ডিএনসি স‚ত্রে জানা যায়, সকালে রাজনগর থানাধীন মাথিউরা (পর্বতপুর) চা বাগানের ৯ নম্বর লাইনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় রামলাল রবিদাস (৫০) ও রামুতার রবিদাস (৪৫)-এর নিজ নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। রামলাল রবিদাসের বসতঘর থেকে চারটি প্লাস্টিকের ড্রামে থাকা চোলাইমদ তৈরির উপকরণ ‘ওয়াশ’ উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি ড্রামে ৩০ লিটার করে মোট ১২০ লিটার ওয়াশ এবং একটি প্লাস্টিকের জারে ৯ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে রামুতার রবিদাসের বসতঘর থেকে একটি প্লাস্টিকের জারে ১৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রামলাল রবিদাস ও রামুতার রবিদাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনই রাজনগর থানাধীন মাথিউরা (পর্বতপুর) চা বাগানের ৯ নম্বর লাইনের বাসিন্দা। রামলাল রবিদাসের পিতা মৃত রামচরন রবিদাস এবং রামুতার রবিদাসের পিতা মৃত কার্তিক রবিদাস। অপরদিকে, একই দিন দুপুরে মৌলভীবাজার সদর থানাধীন মল্লিক সরাই এলাকায় অভিযান চালায় ডিএনসি। সেখানে মোঃ মুছকিন মিয়ার ভাড়াটিয়া মোঃ মিজান মিয়া (৪১)-এর বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি সিনথেটিক ব্যাগের ভেতর থেকে ৩১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় মিজান মিয়া পলাতক ছিলেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার নুরপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মল্লিক সরাই এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। ডিএনসি জানায়, পৃথক দুই ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রাজনগর ও মৌলভীবাজার সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজনগরের অভিযানে বাদী ছিলেন০ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক অমর কুমার সেন এবং মৌলভীবাজার সদর এলাকার অভিযানে বাদী ছিলেন উপপরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। অভিযান ও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, মৌলভীবাজারের উপপরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান।