পাবনা-২ প্রচারণা শেষ অপেক্ষা বিজয়ের

ওসমান গনি বেড়া (পাবনা)
রাত পোহালে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের হিসাবনিকাশ, গতকাল শেষ হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ১৯ দিনের জমজমাট প্রচারণা।গত ২২ জানুয়ারি শুরু হয় এ প্রচারণা মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটায় শেষ হয়েছে। এ নির্বাচনে পাবনা- ২ ( বেড়া- সুজানগর) সংসদীয় আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনের প্রার্থীরা হলেন , বিএনপির ধানের শীষ মনোনীত একেএম সেলিম রেজা হাবিব, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী কেএম হেসাব উদ্দিন, জাতীয় পার্টির মেহেদী হাসান রুবেল ( লাঙ্গল) , ইসলামি আন্দোলন আফজাল হোসেন কাশেমী(হাতপাখা) ও গণফোরামের শেখ নাসির উদ্দিন ( উদীয়মান সূর্য) প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন প্রার্থীরা। দুই উপজেলার সদর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মাঠ-ঘাট, পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজারে ঘুরে ঘুরে ১৯ দিন নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরে ভোট প্রার্থনা করেছেন প্রার্থীরা।ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পথসভা, মতবিনিময় সভা, উঠান বৈঠক ও নির্বাচনী জনসভার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি চলেছে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং, এলাকার উন্নয়নের জন্য দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি। আগামীকাল ব্যালটে ভোট বিজয়ের মাধ্যমে তারা উপলব্ধি করবে ভোটারদের ভালোবাসা।
বেড়া ও সুজানগর উপজেলায় দুইটি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন নিয়ে পাবনা ২ আসন গঠিত।
বিএনপি প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে বেড়া এবং সুজানগর দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করবেন। পাশাপাশি তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, যমুনার নদী ভাঙন ইত্যাদি সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে বেড়া ও সুজানগরকে মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করার অঙ্গীকার করেন। অপরদিকে জামায়াত প্রার্থী কেএম হেসাব উদ্দিন বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভোটাররা দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করবেন বলে তিনি আশাবাদী। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মেহেদী হাসান রুবেল বলেন, আসন্ন নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না থাকায় লাঙ্গল প্রতীকের পক্ষে রায় দেবেন ভোটাররা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন সুসম্পন্ন করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
পাবনা২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৩৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৭০৪ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৯ জন।