আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : আদমদীঘিতে নিজের মেয়েকে জোড়পুর্বক ধর্ষনের অভিযোগে লম্পট পিতা জিল্লুর রহমান (৪২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় সান্তাহার লকু সিভিল পশ্চিম কলোনী বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত জিল্লুর রহমান মহুবর রহমানের ছেলে। পুলিশ ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার ও পিতা জিল্লুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে স্বামী জিল্লুর রহমানকে আসামী করে আদমদীঘি থানায় একটি মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষা ও জবাববন্দী গ্রহনের জন্য আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
মামলা সুত্র জানাযায়, সান্তাহার লকু সিভিল পশ্চিম কলোনীর বাসিন্দা জিল্লুর রহমানের ১ম স্ত্রী মারা যাবার পর প্রায় ১৫ বছর পুর্বে সুমি ওরফে মুন্নি (৩২) নামের এক নারীকে ২য় বিয়ে করেন। সে পক্ষের এক মেয়ে (১৪) বছরের রয়েছে। গত ১২ সন্ধ্যায় মেয়েসহ জিল্লুর রহমানের স্ত্রী মালশন গ্রামে পিত্রালয়ে যান। পরদিন সোমবার বেলা ৪ টায় মেয়েকে মালশন থেকে সান্তাহার বাসায় পাঠিয়ে মা নওগাঁ শহরে যান। বাদিনী বিকেল সাড়ে ৫ টায় সান্তাহার স্বামী জিল্লুর রহানের বাসায় ফিরে মেয়েকে মলিন ও নিশ্চুপ দেখে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ভিকটিম তার মাকে জানায় বাসায় একা পেয়ে তার পিতা জিল্লুর রহমান জোড়পুর্বক মারধর করে ধর্ষন করে। কথাটি কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয় বলে জানায়। রাতে স্থানীয়দের পরামর্শে জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বররে ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় লম্পট জিল্লুর রহমানকে পুলিশে দেয়া হয়। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গতকাল মঙ্গলবার ভিকটিমকে ডাক্তারি পরিক্ষা ও জবানবন্দি গ্রহন এবং অভিযুক্ত জিল্লুর রহমানকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
