রাজশাহীর হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য

নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
রাজশাহীতেজাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভেজাল বিরোধী অভিযান ঝিমিয়ে পড়ায় মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য অবাধে বিক্রিসহ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে খাবার পরিবেশন। জেলার দুই-একটি হোটেল রেস্তোরার মান ভালো থাকলেওেেজলার বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজার জুড়ে চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন। সরেজমিনে গতকাল মঙ্গলবার গিয়ে দেখা যায়,দীর্ঘদিন ধরে জেলা শহর থেকে শুরু করে বাগমারা,দুর্গাপুর,চারঘাট.বাঘা,গোদাগাড়ি তানোর,মোহনপুর,পবা এবং পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবাধে চলছে মেয়াদ উত্তীর্ণ ও অনুমোদন বিহীন পণ্য বিক্রি। চলছে খোলা আকাশের নিচে খাবার পরিবেশন। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন কিছু চিত্র। অপরদিকে দেদারছে চলছে খোলা দই বিক্রি। দইয়ের বাটি থাকছে খোলা, তাতে ঘাম ঝরছে বিক্রেতার উৎপাদনেরও কোনো উল্লেখ নেই। এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ার নাম দিয়ে পুঠিয়ায়, বানেশ্বরে বিক্রি করছেন এসব দই। উপজেলার বানেশ্বর হাটে ভ্যানে করে এক ব্যক্তি দই বিক্রি করছেন। তাকে দইটির উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখের কথা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন প্রয়োজন নেই। বিএসটিআই’র কোনো অনুমোদন নিতে হয় কি না এমন প্রশ্নের জবাবে দই বিক্রেতা জানালেন এ সব প্রশ্ন আমাকে না করাই ভালো। তবে দই ভ্যান থেকে তিনি যখন নামাচ্ছিলেন, তখন দইয়ের বাটিতে শরীরের ঘাম ঝরলেও সেদিকে খেয়াল নেই দই বিক্রেতার। এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পুঠিয়ায় ও বানেশ্বরে বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের খাবার। আর এজন্য স্থানীয়রা অভিযোগ তুলছেন দীর্ঘদিন ধরে পুঠিয়া, বানেশ্বরে ভেজাল বিরোধী অভিযান না থাকায়। এছাড়া উপজেলার পুঠিয়া, ঝলমলিয়া, বিরালদহ, শিবপুর, বানেশ্বর, বেলপুকুরসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ হোটেল রেস্তোরায় চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন। খাবারে মসা, মাছি ভিনভিন করলেও সে দিকে খেয়াল রাখেন না হোটেল রেস্তোরা মালিকরা। এসব হাট-বাজারে ও আমের হাটগুলোতে খোলা আকাশের নিচে দেদারছে চলছে খাবার বিক্রি। আর এসব খাবার খেয়ে অনেকে হচ্ছে অসুস্থ।এতে এলাকাবাসী সব ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের মূল্য তালিকা টাঙানো, ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি করা, ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ করা, নকল ও ভেজাল পণ্য ও ওষুধ বিক্রয় থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ মজুতদারি করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনাএর আইনগত ভাবে সুস্থ বিচারের দাবি জানান।#