সফরের আগে যে দোয়া পড়ে স্বজনদের কাছ থেকে বিদায় নেবেন

সফর চিন্তার জগতকে প্রসারিত করে, মনকে উদার করে, জ্ঞানের দরজা খুলে দেয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেছেন, ‘তারা কি পৃথিবীর বুকে ভ্রমণ করেনি, যার ফলে তারা উপলব্ধিকারী হৃদয় ও শ্রবণকারী কানের অধিকারী হত?’ (সুরা হজ: ৪৬)

হজ-ওমরার সফরে বা জ্ঞান অর্জন, যুদ্ধ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ভাই-বন্ধুদের সাথে সাক্ষাৎসহ যেকোনো সফরের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় বা সফররত অবস্থায় একটি দোয়া পাঠ করা সুন্নত। দোয়াটি হলো— أَسْتَوْدِعُكَ اللهَ الَّذِي لَا تَضِيعُ وَدَائِعُهُ উচ্চারণ: ‘আসতাওদিউকাল্লাহাল্লাজি লা তাদীউ ওয়াদা-ইউহু’ অর্থ: ‘আমি তোমাকে আল্লাহর আমানতে সোপর্দ করলাম, যাঁর নিকট সোপর্দকৃত জিনিস ধ্বংস হয় না।’ (ইবনে মাজাহ: ২৮২৫)

নারী সফরকারী দোয়াটি এভাবে পড়বেন—أَسْتَوْدِعُكِ اللهَ الَّذِي لَا تَضِيعُ وَدَائِعُهُ ‘আসতাওদিউকিল্লাহাল্লাজি লা তাদীউ ওয়াদা-ইউহু।’ আর গ্রুপ সফরের ক্ষেত্রে বা সফরসঙ্গী থাকলে দোয়াটি এভাবে পড়বেন—أَسْتَوْدِعُكُمُ اللهَ الَّذِي لَا تَضِيعُ وَدَائِعُهُ ‘আসতাওদিউকুমুল্লাহাল্লাজি লা তাদীউ ওয়াদা-ইউহু’ অর্থ: আমরা তোমাদেরকে আল্লাহর আমানতে সোপর্দ করলাম, যাঁর নিকট সোপর্দকৃত জিনিস ধ্বংস হয় না।’

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) আমাকে বিদায় দিয়ে এই দোয়াটি পাঠ করলেন। (ইবনে মাজাহ: ২৮২৫) আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে মাসনুন দোয়াগুলো পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।