মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, গ্রেফতার- ১

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে পূর্ববিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মারধর এবং তাঁর বাসায় রিভলবার রেখে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তুহিন আহমদ (৪৭) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর মডেল থানা পুলিশ বড়কাঁপন আবাসিক এলাকার শফিকুল ইসলাম লিটনের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়। এ সময় সংবাদদাতার সহযোগী পরিচয়ে একই গ্রামের তুহিন আহমদ, ফাহিম আহমদ (২২) ও বাবুল মিয়া (২৬) পুলিশের সঙ্গে ওই বাসায় যান।
তল্লাশির একপর্যায়ে তাঁদের অতি উৎসাহী ভ‚মিকা এবং রিভলবার বের করে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে অস্ত্র উপস্থাপনকারী তুহিন আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁর সঙ্গে থাকা অপর দুজন পালিয়ে যান। পরে পুলিশ বাসার ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলাম লিটনকে আহত অবস্থায় দেখতে পায়। তাঁর অভিযোগ, গত ৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে প‚র্ববিরোধের জেরে মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ আহমদের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে একটি অন্ধকার কক্ষে আটকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাঁর হাতে রিভলবার দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাঁকে বাসায় ফিরিয়ে এনে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে চারটি গুলিসহ একটি রিভলবার সোফার নিচে রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার জানান, এ ঘটনায় তুহিন আহমদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এবং দÐবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নম্বর ৫(১১)২০২৬ইং ও ৬(১১)২০২৬ইং। আটক আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।