গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.
বিরল কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত আশিক বিল্লাহ শিমুলের বয়স মাত্র ২৮ বছর। চোখে ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন। অন্যের দোকানে চাকরি করে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে চলছিল ছোট্ট সংসার। হঠাৎ ক্যান্সার কেড়ে নিয়েছে শিমুলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। অপারেশনের পর অর্থের অভাবে থমকে যেতে বসেছে তার চিকিৎসা।
নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর সদরের খামারনাচকৈড় মহল্লার বাসিন্দা ও চলনবিলাঞ্চলের সাংবাদিক জগতের গুরু, চলনবিল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, শিক্ষাবিদ মরহুম অধ্যাপক আত্হার হোসেন এবং মোছা. খুশি বেগমের কনিষ্ঠপুত্র শিমুল। পাঁচবছর আগে তার বাবা মারা যান। সেই শোকে মাও স্ট্রোক করে অসুস্থ হন। এখন সহায়সম্বলহীন ছেলে শিমুলের চিকিৎসা খরচ বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছেনা। সুস্থ হওয়ার আশা থাকলেও অর্থের অভাবে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন শিমুল।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ অক্টোবর প্রায় দেড়লাখ টাকা খরচ করে রাজশাহীতে শিমুলের (মলদারের টিউমার/কোলন ক্যান্সার) অপারেশন করা হয়েছে। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ২১ দিন পরপর ৮টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। কেমো প্রতি ২৫ হাজার টাকা হিসেবে ২ লাখ টাকা দরকার। ঋণ/কর্জ করে তার পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রথম অপারেশন করিয়েছেন। কেমোথেরাপি শেষ হলে শিমুলের দ্বিতীয় অপারেশন হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজারের একটি কসমেটিকের দোকানে ৮ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী ছিলেন শিমুল। ক্যান্সার শনাক্তের পর সেই কর্মও আর নেই। নিজস্ব জায়গা জমিও নেই। তার সংসারে স্ত্রীসহ ১ বছরের শিশুকন্যা ফিহা ও ১০ বছরের সিজা রয়েছে। অসুস্থতায় অসহায়ত্ব আর মানবেতর জীবন নিয়ে বিছানায় কাতরাচ্ছেন শিমুল।
বাঁচার আকুতি করে শিমুল বলেন, টাকার কাছে হার মেনে যাচ্ছি। যা সম্বল ছিলো এই মরণ ব্যাধি অসুখে সব শেষ। তবুও আশায় আছি, আল্লাহ সহায় হোন।
শিমুলের কেমোথেরাপি ও পরবর্তী অপারেশনের জন্য মানবিকভাবে আর্থিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন তার পরিবার। শিমুলের সোনালী ব্যাংক একাউন্ট নং- ৪৯০৬৪০১০২৬০০৯ এবং বিকাশ/নগদ নং- ০১৭৭৬৫৯৫৯৩৪ (পার্সোনাল)।
