আগৈলঝাড়া(বরিশাল) প্রতিনিধি
আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রেসক্লাবের দুই সাংবাদিককে আসামী করার পর তাদের সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। তারা এখনও প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে বহাল রয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শামীমুল ইসলাম শামীম।
তিনি জানান, আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এফএম নাজমুল রিপন ও নির্বাহী সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে আসামী করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৫ সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি’র নির্দেশনা অনুযায়ী এফএম নাজমুল রিপন ও মো. সাইফুল ইসলামকে প্রেসক্লাবে তাদের নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তবে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সঙ্গে প্রেসক্লাবের সদস্যপদ বাতিল বা বহিষ্কারের কোনো সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, তারা দুজনই আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে বহাল রয়েছেন।
এদিকে গত দু’দিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের দুই সাংবাদিককে ‘বহিষ্কার’ করা হয়েছে মর্মে যে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রেসক্লাব সভাপতি।
মো. শামীমুল ইসলাম শামীম বলেন, প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদে তার সঙ্গে কোনো ধরণের যোগাযোগ বা বক্তব্য ছাড়াই তার নামে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তার মতে, এতে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
প্রেসক্লাব সভাপতি শামীমুল ইসলাম আরও বলেন, এফএম নাজমুল রিপন ও মো. সাইফুল ইসলামকে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। তারা এখনও প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে বহাল রয়েছেন। শুধু তাদের সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
সভাপতি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই ভবিষ্যতে এ ধরণের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বাণ জানান তিনি।
একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর, অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ করা হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করে না, পাঠকদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি করে।
