দ্বিতীয় বিয়ে করে বিপাকে চাটমোহরের খোরশেদ

মোঃ নূরুল ইসলাম, চাটমোহর (পাবনা)
প্রথম স্ত্রী মারা যাবার পর দ্বিতীয় বিয়ে করে বিপাকে পড়েছেন রাজমিস্ত্রী খোরশেদ আলম (৫৬)। খোরশেদ চাটমোহর পৌর সদরের ছোট শালিখা (কালিনগর) মহল্লার আকবর আলীর ছেলে। তার ১ম স্ত্রী দুরারোগ্য ব্যাধিতে মারা যান। গত ২৮ আগস্ট খোরশেদ দ্বিতীয় বিয়ে করেন তার পূর্ব পরিচিত চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের দোদারিয়া গ্রামের মৃত মতলেব আলীর মেয়ে মাজেদা খাতুন (৫৫) কে। দ্বিতীয় বিয়ে প্রায় ৪ মাস আগে মাজেদা তার আগের স্বামী মোছাদ্দেক আলী সরকারকে তালাক দেন। এরপর খোরশেদ ৩০ হাজার ১ টাকার কাবির মূলে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন মাজেদাকে। কিন্ত বিয়ের পর মাজেদা আর খোরশেদের বাড়িতে আসেনা। নানা অজুহাতে নিজ বাড়িতেই থেকে
যায়। বিপত্তি ঘটে বিয়ের ৩ দিন পরেই মাজেদার বাড়িতে এসে হাজির হন তার প্রথম স্বামী ও ছেলে। ১ম স্বামী মোকাদ্দেসকে নিয়ে বসবাস
শুরু করেন মাজেদা। যোগাযোগ বন্ধ করে দেন খোরশে আলমের সাথে।
খবর পেয়ে খোরশেদ তার স্বজনদের পাঠায়, কিন্তু মাজেদা জানায় সে আর খোরশেদের কাছে যাবেনা। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। শুরু হয় সমালোচনা ও মুখরোচক নানা গল্প। আলোচিত হচ্ছে ‘মাজেদার এখন দুই স্বামী’। এদিকে রাজমিস্ত্রী খোরশেদ আলম গত বৃহস্পতিবার মাজেদার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে চাটমোহর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। খোরশেদ আলম জানান, আগের স্বামীকে ৪ মাস আগে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করেছে মাজেদা। এখন কী করে আগের স্বামীর সাথে থাকছে। আমার কাছ থেকে টাকা পয়সা, গহনা নিয়েছে। আমি এই প্রতারণার বিচার চাই। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য দোদারিয়া গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বসবাসকারী মাজেদা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তাকে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, মাজেদার আগে স্বামীর সাথে আছে। এখন বাড়িতে নেই। মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ।