ওসমান গনি বেড়া (পাবনা)
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি বলেছেন, কেতাবি গণতন্ত্র দিয়ে গণতন্ত্র কায়েম হয় না। খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।সংস্কারের নামে একটি ধর্মান্ধ গোষ্ঠী দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমান সরকার সংস্কারের বিপক্ষে নয়।তবে সংস্কার হতে হবে ঐক্যমত ও নোট অব ডিসেন্টের আলোকে। বিএনপি যে সকাল ধারায় নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিলো সেগুলো আলোচনা পর্যালোচনার দ্বায়িত্ব পেয়েছে জনগণের ম্যান্ডেটে। সংসদে সেগুলো আলোচনা করে মিমাংসা করা হবে। (৩ এপ্রিল শুক্রবার ) সন্ধ্যায় পাবনার বেড়ায় ২৪ গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গণতান্ত্রিক পুর্নগঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা শীর্ষক উন্নয়ন সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষিকার্ড, স্বাস্থ্যকার্ড, ইমাম মোয়াজ্জিম ভাতা, কৃষিঋন মওকুফ সহ ৩১ দফা কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা হবে ।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও তাদের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, মেঘা প্রকল্পের নামে মেঘা লুটপাট বন্ধ করে জনগণের কষ্টের টাকা জন কল্যাণে ব্যয় করতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই মডেল হয়ে কাজ শুরু করেছেন। সকল প্রটোকল ও ধারাবাহিকতা বর্জন করে তিনি পিতার মতো সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন।বেড়ার প্রাণকেন্দ্র সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্ত্বরে সর্বদলীয় নাগরিক ও সুধী সমাবেশে গণসংহতি আন্দলনের সদস্য সচিব আব্দুল আলিমের সঞ্চালনায় বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব ফজলুর রহমান ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন পাবনা- ২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব, গণসংহতি আন্দলনের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হাসান রুবেল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রইচ উদ্দিন আহমেদ সহ বেড়া উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠন,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।পরে রাতে বেড়া উপজেলা গণসংহতির দলীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিদের সাথে এক ঘরোয়া মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সরকারি সফর শেষ করে রাতেই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
