সাঁথিয়া প্রতিনিধিঃ পাবনার আতাইকুলা থানার আর.আতাইকুলা ইউনিয়নের মাধপুর গ্রামে জোর পুর্বক বাড়ীর জমি দখলের অভিযোগ। আদালতে নিজ মামলায় হেরে গিয়েও জমি না ছেড়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন
মৃত ময়দানের ছেলে আব্দুল মতিন।
আঃ মতিন জানান, কিছু দিন যাবত তার পাশ্ববর্তী মৃত মনির উদ্দীনের ছেলে আঃ মজিদ জোর পূর্বক নিজ মালিকানাধীন জমি আর এস খতিয়ান ৫৩,২০০ দাগ নং ৫৬৩, জমির পরিমাণ ০৬ শতাংশ রাস্তার পাশ্ব দিয়ে দখল করে আছে। ইতি পূর্বে ০২(দুই) বার গ্রাম্য শালীস করে জমি পরিমাপ করে সীমানা পিলার স্থাপন করে দেয় গ্রাম্য প্রধানগন। তারা সেটা অমান্য করে সীমানা পিলার তুলে ফেলে এবং আমার রোপন করা গাছ তুলে ফেলে। আমি ঐ সময় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। তখন থানা থেকে বিষয়টি মিমাংসার জন্য দুই পক্ষকে ২৭/০৭/২০২৫ইং থানায় উপস্থিত হতে বলা হয়। কিন্তু মোঃ মজিদ থানায় না এসে উক্ত জায়গার উপর পাবনার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ০১ আদালতে ৫১৬/২৫ (আতাইকুলা) পিটিশন ১৪৪ ধারা মামলা করে। বিজ্ঞ আদালত তার সঠিক দলিল পত্র ও প্রমান না দেখাতে পারলে গত ১১/১২/২০২৫ইং তারিখে মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানি মূলক বিধায় মামলাটি খারিজ করে দেয়। ততসহিত আদালত উভয় পক্ষসহ আতাইকুলা থানাকে বব্যস্থা গ্রহণের জন্য গত ১৪/১২/২৫ তারিখে ১২৩২ স্মারকে পত্র প্রেরন করে। বিষয়টি জানাজানি হলে ও জায়গা ছেড়ে দিতে বললে মজিদ আমাকে এবং আমার ছেলে মোঃ মহসিন (বিজিবি গোয়েন্দা পরিদপ্তরে কর্মরত) ও মোঃ শুভ হোসেনসহ (সেনাবাহিনীতে কর্মরত আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। তারা প্রায়ই আমার বাড়ীর আশে পাশে এসে গালিগালাজ করেন এবং আমি ও আমার ছেলেদের নামে নারী নির্যাতনের মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। মজিদ ও তার সহযোগীরা আমাকে জানে মারার হুমকি দেয় এবং ভবিষ্যতে আমাকে ও আমার ছেলেদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর ভয় দেখায়। এখন
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান মতিন। আঃ মতিন জমি উদ্ধারসহ তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়েছেন আতাইকুলা থানায়।
এ বিষয়ে মাধপুর গ্রাম্য প্রধান আঃ ওয়াল প্রামানিক, শহিদুল ইসলাম, ইদ্রিস খান, আবুল কাশেম, নুরুসহ অনেকে জানান ৮৫ শতাংশ জমির মধ্যে আঃ মতিন ৬২ শতাংশের মালিক হলেও আঃ মজিদ পাকা রাস্তার পাশে অবৈধ ভাবে ঘর তুলে বেশী জমি জবর দখল করেছে।
আতাইকুলা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই আজিজুল জানান, উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
