সাঁথিয়া প্রতিনিধিঃ চাঁদার ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করায় এক কৃষকের ক্ষেতের ৫০ মন পেঁয়াজ লুটের পর জমিটাই দখল করে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা।শুধু কি তাই সন্ত্রাসীদের হত্যার হুমকিতে ওই কৃষক ২ মাস ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। ওই কৃষকের নাম খোরশেদ আলম।তার বাড়ি আতাইকুলা থানার বনগ্রামের পুর্বপাড়ায়। অসহায় কৃষক থানায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার না পেয়ে বাড়ি ফেরার আকুতি জানিয়ে পুলিশ সুপারের কাছে আর্তি জানিয়েছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায় কৃষক খোরশেদ আলমের কাছে ভবানীপুর গ্রামের গোরাই, মাসুদ সামান্যপাড়া গ্রামের সানা,বনগ্রাম পুর্বপাড়ার ফজলু ও কুমিগারির খোকনসহ কয়েক সন্ত্রাসী ৫ লাখ টাকা চঁাদা দাবি করে। চাঁাদা না দেওয়ায় গত ১২ নবেম্বর বোন উজ্জলী খাতুনকে মারধর করে। আতাইকুলা থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উজ্জলী খাতুনকে উদ্ধার করে। অব্যাহত চাঁদা দাবিতে সন্ত্রাসীরা গত ১ এপ্রিল খোরশেদের জমি থেকে প্রায় ৫০মন পেঁয়াজ লুটের পর এখন পর্যন্ত জমিটাও দখল করে রেখেছে। এসময় কৃষক খোরশেদ আলম বাঁধা দেওয়ায় সন্ত্রাসীচক্র অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দিলে তখন থেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।কৃষক খোরশেদ আলম গত ১০ এপ্রিল আতাইকুলা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাননি। তাই খোরশেদ আলম বাড়ি ফেরার আকুতি জানিয়ে ২৯ এপ্রিল পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন।্ কৃষক খোরশেদ আলম জানান তিনি বৃদ্ধা মা শিশুসন্তান ও বিধাব বোনের পরিবার নিয়ে বাড়ি ঘর ফেলে অমানবিক জীবন কাটাচ্ছেন। তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে কৃষিকাজ করে সংসার চালাতে চান তাই তিনি পুলিশ সুপারের কাছে নিরাপত্তা দাবিতে আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ওসি হাবিবুল ইসলাম জানান আমার অফিসার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
