খালেদ আহমেদ :
ভালো কাজে সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে নেকি অর্জন করা যায়। সেই কাজ যদি হয় মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য তাহলে তো কথাই নেই। কারণ, মসজিদ মাদ্রাসায় দান করা সদকায়ে জারিয়ার অংশ। কেউ যদি মসজিদ নির্মাণে অর্থ দান করেন তাহলে যতদিন সেই মসজিদ চলমান থাকবে, মানুষ নামাজ পড়বে ততদিন ওই দাতা ব্যক্তির আমলনামায় সওয়াব লেখা হবে। এমনকি তিনি কবরে সুয়েও এর সওয়াব পেতে থাকবেন।
এমনিভাবে কেউ যদি মাদ্রাসা ও স্কুলে দান করেন আর ওই স্কুল মাদ্রাসায় কোরআন হাদিস ও মানবিক শিক্ষাদান করা হয়, শিক্ষার্থীরা সেই স্কুল- মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করে সৎ ব্যাক্তি তৈরি হন, তারা আবার অন্যকে শিক্ষা দেন, তাহলে যতদিন পর্যন্ত ঐ স্কুল – মাদ্রাসায় পাঠদান ও কোরআন হাদিসের জ্ঞানদান হবে, যতদিন পর্যন্ত সেখানকার শিক্ষার্থী ইলম অর্জন করে অন্য একজনকে শিক্ষা দেবেন, ততদিন পর্যন্ত ওই দাতা ব্যক্তির আমলনামায় নেকি লেখা হতে থাকবে।
“আরিফপুর গোরস্থান মসজিদ মাদ্রাসার” ছাদ ঢালাই বাবদ ১ লক্ষ ও রাধানগর রথ ঘরের পেছনে “চাঁদেরহাট ক্যাডেট স্কুল এন্ড কলেজে” ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লক্ষ১০ হাজার টাকা দান করার সময়
পাবনা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ দুবলিয়ায় হাজী জসীম উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, পদ্মা কলেজ, ফজিলাতুন্নেছা গার্লস হাই স্কুলসহ শতাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা, প্রস্তাবিত মাস্ট ইউনিভার্সিটির জন্য ১০ বিঘা নিজ জায়গায় ১০ তলা ভবন নির্মাণ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ অধ্যক্ষ মাহাতাব উদ্দিন বিশ্বাস উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি গতকাল মঙ্গলবার ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর পৌঁনে ১টায় মাহাতাব বিশ্বাস গ্রীন সিটির নিজস্ব কার্যালয় ফরিদা টাওয়ারে অনানুষ্ঠানিক ভাবে এই অর্থ প্রদান করেন মাদ্রাসা মসজিদের খতিব আতিয়ার রহমান ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক শান্তনা রানী মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিদের কাছে।
সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন পাবনা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি হাসান আলী, সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য হাবিবুল্লাহ ইবনে হোসেন শশী, সোবাহান মারুফ, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ মিলন প্রমুখ।