এবাদত আলী
২০২৫সালের ১২ অক্টোবর পাবনা জেলা পরিষদের রশিদ হলে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৫ প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণমাধ্যম কর্মীদের অংশগ্রহণে জেলা পর্যায়ে কনসালটেশন কর্মশালায় যোগদান করি। অতিথিবৃন্দের আগমণের পর যথাসময়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। পাবনার সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সামিউল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়। সভাপতির ভাষণে সিভিল সার্জন বলেন, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুর হতে যাওয়া ট্ইাফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে পাবনা জেলায় প্রায় ৮ লাখ শিশুকে টাইফয়েড জ¦র থেকে সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে টিকা প্রদান করা হবে। তিনি আরো বলেন, একটি সুস্থ্য জাতি গঠনে এবং আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণযোগাযোগ অধি দপ্তরের ‘‘ শিশু কিশোর- কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৫ প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণমাধ্যম কর্মীদের অংশগ্রহণে জেলা পর্যায়ে কনসালটেশন কর্মশালায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহাঙ্গীর আলম আগামী ১২ অক্টোবর থেকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে তিনি ৯ মাস থেকে
১৫ বছর সকল শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে টাইফয়েড জ¦র, শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধসহ টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ সফল করে তোলার লক্ষ্যে করণীয় দিক গুলোর প্রতি আলোকপাত করেন। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডাঃ রাশেদুল বারী পাওয়ার পয়েন্ট প্রজেক্শনের মাধ্যম চ্যালেঞ্জ এবং করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরেন। কর্মশালায় পাবনা সিভিল সার্জন অফিস থেকে জাননো হয় পাবনা জেলার ২ হাজার ৯শ ৭৭ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিজ স্কুলেই ১২ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এছাড়া ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভুত এবং স্কুল পর্যায়ে বাদ পড়া ১ নভেম্বর থেকে জেলার ১ হাজার ৮শ ৬০ টি ইপিআই কেন্দ্রে এই টিকা ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবে। জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৪ টি পৌরসভা (পাবনা ,ঈশ^রদী, সুজানগর ও বেড়া) এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ই পি আই স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে শুক্রবারে ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সহকারি পুলিশ সুপার সাদিক আহমদ, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আক্তার প্রমুখ। এসময় পাবনার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাক্ত্ও মোহাম্মদ খায়রুল কবীর, পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সহ সম্পাদক মোখলেসুর রহমান বিপ্লব, সিনিয়র সহসভাপতি ছিফাত রহমান সনম, সহ সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সহ সভাপতি কামাল আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক সম্পাদক আখিনুর ইসলাম রেমন, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো প্রধান উৎপল মীর্জা, অর্থ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাহিত্য সংস্কৃতি সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেল, ক্রীড়া সম্পাদক ইমরোজ খন্দকার বাপ্পী, কল্যাণ সম্পাদক কলিট তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান শিপন, দৈনিক ইছামতির নির্বাহী সম্পাদক মোস্তাফা সতেজ, দৈনিক পাবনার খবর সম্পাদক এম জি বিপ্লব চৌধুরী, দৈনিক উন্নয়নের কথা পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাশেম, সাংবাদিক ও নাট্যকার দৈনিক চাঁদনী বাজার পত্রিকার পাবনা ব্যুরো প্রধান এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট দৈনিক চাঁদনী বাজার পাবনা ব্যুরো প্রতিনিধি এবাদত আলী, সাংবাদিক নরেশ মধু, শাহীন রহমান, আবু হাসনা মোঃ আইয়ুব, শুশীল তরফদার, রফিকুল ইসলাম সুই্ট, তপু আহমেদ, সাংবাদিক জিকে সাদী, মিজানুর রহমান, এটি এন বাংলার পাবনা প্রতিনিধি রিজভী জয়, দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকার পাবনা জেলা প্রতিনিধি আরিফ আহমেদ সিদ্দিকী, সাংবাদিক আবুল এহসান এলিস-, সাংবাদিক এস এম আলম, কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, মাহফুজ আলম, আব্দুল হামিদ খান, শুশান্ত কুমার, সেলিম মাহমুদ. প্রবীর কুমার সাহা, শফিক আল কামাল, খালেদ আহমেদ এবং শিশির ইসলাম প্রমুখ সাংবাদিক বৃন্দ।
ওয়ার্কশপের শেষ প্রান্তে জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সামিউল আলম কর্তৃক উপস্থিত সকল সাংবাদিককে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হলো। অতঃপর শুরু হলো নিজ গন্তব্যে পথ চলা। (ক্রমশ:) (লেখক ঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট)
এবাদত আলী,
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আটঘরিয়া প্রেসক্লাব
ও সদস্য পাবনা প্রেসক্লাব।
তারিখ ০২/০৮/২০২৬
