আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে তুচ্ছ ঘটনায় শামসুল হক (২৯) নামের এক প্রতিবন্ধী যুবক খাতুন বেওয়া (৬০) নামের এক বিধবা নারীকে পিটিয়ে হত্যা করা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার (৩৯ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৫টায় আদমদীঘি উপজেলা সদরের তেতুলিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত বিধবা খাতুন বেওয়া ওই গ্রামের মৃত দবির উদ্দিন ফকিরের স্ত্রী। জনতা ঘটনায় জড়িত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সামছুল হককে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে। আটক সামছুল হক একই গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ ছেলে। সম্পর্কে নিহত খাতুন বেওয়া সামছুল আলমের নানী বলে জানাগেছে।
গ্রামবাসি ও স্থানয়িরা জানায়, সামছুল আলম একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তাকে কয়েক দিন যাবত তার মা ঘরে দরজায় তালা দিয়ে রাখে। গত রবিবার বিকেলে নানী খাতুন বেওয়া ওই বাড়িতে গিয়ে এই দৃশ্য দেখে তার ঘরের তালা খুলে দেয়ার সাথে সাথে প্রতিবন্ধী সামছুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে নানী খাতুনকে ওড়না দিয়ে বেঁধে এলোপাথারী ভাবে লাথি ও মারপিট করতে করতে ঘরের বাহিরে নিয়ে আসে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এতে সে গুরুত্বর আহত হয়। পরে গ্রামবাসি আহত খাতুনকে উদ্ধার করে প্রথমে আদমদীঘি ও পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে খাতুন বেওয়া মারা যায়। এদিকে গ্রামবাসি ঘটনার সাথে জড়িত সামছুল হককে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশে সোর্পদ করেন। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য মর্গে প্রেরন করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত সামছুল হককে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।
