এবারের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের কিছুটা কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের করযোগ্য আয় গণনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বাদযোগ্য অঙ্কের পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন নানা ধরনের ভাতাসহ সাড়ে চার লাখ টাকা পর্যন্ত আয় বাদ দেওয়া যায়। এই অঙ্ক বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে তাদের করের ভার কিছুটা হালকা হতে পারে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
বেসরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ধরনের মরণব্যাধির চিকিৎসা খরচকে করমুক্ত রাখা হয়েছে। চাকরিরত কর্মচারীদের কিডনি, লিভার, ক্যানসার, হার্টের চিকিৎসার পাশাপাশি মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার ও কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপন-সংক্রান্ত চিকিৎসা বাবদ প্রাপ্ত অর্থ করমুক্ত থাকবে। এতে চাকরিজীবীদের কিছুটা স্বস্তি মিলবে। কারণ এসব চিকিৎসায় বিপুল অর্থ খরচ হয়।
পেনশনের আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয় এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সর্বজনীন পেনশন স্কিম হতে প্রাপ্ত সুবিধাভোগীর কোনো আয় করমুক্ত থাকবে। গতকাল অর্থ উপদেষ্টা বাজেট বক্তৃতায় এই প্রস্তাব করেছেন। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় এখন প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার গ্রাহক আছেন।
