ঈদুল আজহার খুব বেশি দেরি নেই। আর কুরবানির ঈদ মানেই বিভিন্ন রকমের পশু কুরবানি দেওয়া। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কুরবানি হয় গরু। যার কারণে সকলের ঘরেই কম বেশি গরুর মাংস রান্না হয়।
তবে হৃদরোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে অনেকেই চেষ্টা করেন না খাওয়ার বা কম খাওয়ার। তবে নিয়ম মেনে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও খেতে পারেন গরুর মাংস।
● অন্তঃসত্ত্বা বা স্তন্যদায়ী নারী, প্রচুর শারীরিক পরিশ্রমী, বাড়ন্ত বয়সের ছেলেমেয়ে, বডিবিল্ডার, অস্ত্রোপচার থেকে সেরে উঠেছেন—এমন ব্যক্তিরা গড়ে ২০০ গ্রাম মাংস খেতে পারবেন।
● ডায়াবেটিস, ফ্যাটিলিভার, আইবিএসের সমস্যা থাকলে গড়ে ২০০ গ্রামের নিচে মাংস খাবেন।
● স্ট্রোক, হৃদ্রোগ, গলব্লাডার বা কিডনির সমস্যা আছে—এমন ব্যক্তিরা প্রথম ধাপে ১০০ গ্রামের নিচে গরুর মাংস খাবেন।
● প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা দিনে ৭০ থেকে ৮০ গ্রামের বেশি খাবেন না।
● যাঁদের ওজন বেশি, কোলেস্টেরল খুব বেশি নয়, তাঁরা ১ থেকে ২ টুকরার বেশি মাংস খাবেন না।
এ ছাড়া শারীরিক অবস্থাভেদে পুষ্টিবিদের পরামর্শে গরুর মাংস খাওয়াই ভালো।
